বক্তা অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং দরদমাখা কণ্ঠে বে-নামাযির ভয়াবহ পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তবে হতাশার পরিবর্তে তিনি আশার বাণী শুনিয়েছেন। তিনি শিখিয়েছেন, আজই যদি কেউ অতীতের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে জায়নামাজে চোখের পানি ফেলে ক্ষমা চায়, তবে পরম দয়ালু আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে দেবেন না।
এটি আল্লামা হাসান জামিল সাহেবের সেই আবেগপূর্ণ ওয়াজ বা আলোচনার ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধের খসড়া:
এই ওয়াজের মূল আকর্ষণ হলো নামাযের মধ্যে কান্নার গুরুত্ব। খতিব সাহেব উল্লেখ করেছেন, সাহাবায়ে কেরাম ও মহান আল্লাহওয়ালাগণ নামাযে দাঁড়ালে আল্লাহর ভয়ে এবং মহব্বতে এমনভাবে কাঁদতেন যে তাঁদের বুক থরথর করে কাঁপত। আজকের যান্ত্রিক জীবনে আমাদের নামায থেকে সেই প্রাণ বা খুশু-খুযু হারিয়ে গেছে। চোখের পানির মাধ্যমে নামাযকে জীবন্ত করার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা প্রতিটি মুমিনের অন্তরকে স্পর্শ করে।
Update your browser to view this website correctly. Update my browser now